খুলনা, বাংলাদেশ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  কক্সবাজার স্টুডেন্ট ফোরাম, রাজশাহীর নতুন কমিটি অনুমোদন
  জালালাবাদে ক্ষুদে ফুটবলার নয়ন ঢাকা ফুটবল লীগে সুযোগ পেল

ঈদগাঁওতে বর্ষা মৌসুমে মাছ ধরার জালের কদর তুঙ্গে, তিনগুন দাম 

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও 

বর্ষা মৌসুমে ধানক্ষেতে,খালে-বিলে দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জাল। সুতার তৈরি এক ধরনের মাছ ধরার ফাঁদ হলো জাল। ঈদগাঁওতে সারা বছরের পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমেই বিভিন্ন নামের জালের কেনাবেচা হয় বেশি। কদরও তুঙ্গে বটে।গতকাল ঈদগাঁও বাজার পশ্চিম গলির জালের দোকানে গেলে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। বিভিন্ন দোকানপাটে সারি সারি সাজিয়ে রেখেছেন নানা ডিজাইনের জাল। খুচরা বিক্রি করে বিক্রেতারা।জানা যায়, গ্রামাঞ্চলে ধানক্ষেত ও খালে নানান প্রজাতির মাছ শিকার করেন জেলেও কৃষকরা। একসময় বাঁশের তৈরি চাঁই দিয়ে মাছ ধরা হতো। এখন শক্ত, মজবুত জালের কদর তুঙ্গে রয়েছে। ঈদগাঁওর জালের দোকানে ছোট-বড়সহ নানা সাইজ,মানের জাল পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয়দের মেধা আর পরিশ্রমে উদ্ভাবিত জালের চাহিদা বাড়লেও দাম তিনগুন। ঈদগাঁওতে কিছু কিছু পরিবার জাল তৈরি করে থাকে। এ কাজে পারদর্শী নারীরা,গৃহস্থ পরিবার লোকজন অবসরে বাড়িতে জাল তৈরি করেন।এমনটি জানান এক দোকানদার। জাল তৈরীর কাজ বহু কষ্টের। এই কাজে টিকে থাকা কঠিন ব্যাপার। জাল তৈরী করতে দীর্ঘসময়ে প্রয়োজন হয়। তাদের নিপূন হাতে তৈরীকৃত জাল স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।পেঠান নামের এক ব্যাক্তি জানান, মাঝারি সাইজ জাল কিনতে গিয়ে দামের কারনে কেনা হয়নি।আরেকজন জানান,শখ করে মাছ ধরতে ভাল মানের জাল কিনলাম। জাল নিয়ে গ্রুপ ভিত্তিক লোকজনের সাথে মাছ ধরতে খালে যাওয়া হয়। স্থানীয় মুরব্বিরা জানান, পূর্বে জালের দাম ছিল কম। বতমানে জালের দাম কিন্তু অনেক বেশি। জাল বিক্রেতা মাসুদ বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে গ্রামের মানুষ ধানক্ষেতে এবং খালবিলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে থাকেন। সারাবছর ধরে জাল বিক্রি হলেও বর্ষা মৌসুমে বেচাকেনা বেশি হয়। পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফাঁদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১ হাজার ৫শ টাকা থেকে ৪ হাজার ৫শত টাকা দামের জাল রয়েছে। আরো দামী কিনতে চাইলে অর্ডারী তৈরীর কথাও জানান।তার দোকানে দৈনিক জাল বিক্রি হয় ২/১টি। বিভিন্ন সময়ে আরো বেশিও বিক্রি হয়ে থাকে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT